প্রধানমন্ত্রীর পীরগঞ্জ আসন আওয়ামী লীগের দখলে ছিলো

ballot_boxব্যালটবক্স ছিনতাই ও পুড়িয়ে দেওয়া ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকলেও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের তিনটি আসনে গড়ে ১৬ ভাগ ভোট পড়েছে।

এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পীরগঞ্জ আসনে ইউএনওসহ আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগসহ সন্ত্রাসীরা ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়ে নিজেরাই সিল মেরেছে বলে অভিযোগ করেছে আঠারো দল। ফলে বেলা ১ টার আগের ৩ ভাগ ভোট কাস্ট হলেও পরে বিকেল ৪ টায় তা হয়ে যায় ৭০ ভাগের ওপরে।

পীরগঞ্জ আসনে বেলা ১টার পর থেকে কেন্দ্র দখলে নেয় আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ যুবলীগসহ সন্ত্রাসীরা। তারা নিজেরাই সিল মারতে থাকে। এছাড়াও কিছু কিছু ভোট কেন্দ্রে  ভোট শেষ হওয়ার অনেক আগেই ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসারদের নির্দেশ দিয়ে ব্যালটবক্স উপজেলা ইউএনও অফিসে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে গিয়ে ব্যালটে নতুন করে সিল মারাসহ প্রিজাইডিং অফিসারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ধামকি, চাকুরী খোয়ানো এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের জোড় করে পূর্ব র্নিধারিত ভোট কাস্ট পত্রে সই নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বেলা ১ টার পরে সমস্ত কেন্দ্র দখলে নেয় আওয়ামী ক্যাডাররা। বেলা আড়াইটার মধ্যেই ইউএনও নির্দেশ দিয়ে ব্যালট বক্স নিয়ে যান অফিসে। সেখানে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোড় করে সই নিয়েছে। নতুন করে ব্যালটে সিল দিয়েছে। কথা না শুনলে চাকুরী খাওয়ানোর হুমকি দিয়েছে।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষযে কোন কথা বলতে রাজি হন নি। সব কিছু রিটার্নিং কর্মকর্তা জানেন বলে জানান তিনি।