খুলনায় ভোটার উপস্থিতি কম

khulna১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রোববার বিরোধী দলের হরতাল অবরোধের মধ্যে সারা দেশের ন্যায় খুলনায় ভোট গ্রহন চলছে। তবে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি কম। সকাল ৮টায় খুলনার জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটি আসনে এ ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বাকী তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত একজন করে প্রার্থী রয়েছেন। যে কারণে সেখানে নির্বাচন হচ্ছে না।

যে তিনটি আসনে নির্বাচন হচ্ছে- খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাট), খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) ও খুলনা-৩ (খালিশপুর- দৌলতপুর- খানজাহান আলী)।

খুলনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সাংসদ ননী গোপাল মন্ডল (চাকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী সুনীল শুভ রায় (লাঙ্গল)।

খুলনা-২ আসনের দুই প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান (নৌকা),জেপি মনোনীত প্রার্থী রাশিদা করিম (বাইসাইকেল)।

খুলনা-৩ আসনের ৩ প্রার্থীর মধ্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান খান খোকন (মোরগ) এবং সাহিদা বেগম (বালতি)।

প্রার্থীরা অনেকেই সকাল ৯টার মধ্যে স্ব স্ব কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছেন।

এছাড়া খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া), খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) ও খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে আওয়ামী লীগের একজন করে প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

এ প্রার্থীরা হলেন- যথাক্রমে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক হুইপ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ নুরুল হক।

নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, যে তিন আসনে নির্বাচন হচ্ছে সেখানে মোট ভোটার হচ্ছেন- ৬ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৫ জন।

এ তিন আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় নির্বাচনী এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা  বলয় সৃষ্টি করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

যে কোন ধরণের নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা ও নগরীতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৮হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে তাদের সহযোগিতা করছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ড।