দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগ করলেন বিদ্রোহী প্রার্থী সহীদ

sahid_mahmud_sakiঢাকা ৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশিদের লোকজন বিদ্রোহী প্রার্থীর ২ কর্মীকে মারধর ও ব্যালটৈ পেপার ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থী সাইদুর রহমান সহীদ।

বেলা ১১ টায় কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে এই অভিযোগ।

সাইদুর রহমান সহীদ অভিযোগ করে অর্থসূচককে বলেন, জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদের লোকজন বিদ্রোহী প্রার্থীর দুই কর্মী আমির হোসেন ও উত্তমকে মারধর করে।

এসময় তাদের কাছে থাকা ভোটার তালিকাসহ অন্যান্য কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় তারা।তিনি আরও অভিযোগ করেন তার লোকজনকে ভোট কেন্দ্রের পাশে বসতে দিচ্ছে না।

এদিকে শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ে সাবেক ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার মইনুল হক মঞ্জু ফিরোজ রশিদের পক্ষে ২০ জন লোক নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে।সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদের ক্যামেরার মুখ চেপে ধরে।

তবে এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তার হোসেন ইতোমধ্যে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন বলে জানা গেছে।এছাড়া কুড়ে ঘর প্রতীক নিয়ে কোনো লোকজনকে দেখা যায়নি।

এদিকে সকাল থেকে এই সব এলাকার কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, আইন শৃংখলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

ballot_boxঢাকা তামিরুল মিল্লাত মাদরাসা কেন্দ্রে সকাল ৯টা পর্যন্ত কোনো ভোটার ভোট দিতে আসেন নি। করাতিটলা মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত ৩ জন ভোট দিয়েছেন বলে পিজাইডিং অফিসার নিশ্চিত করেন।

নারিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় কেন্দ্রে প্রথম দুই ঘণ্টায় দুইটি ভোট পড়েছে। দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাগণ অলস সময় পার করছেন।এভাবে আশপাশের আরও কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কোথাও, ৫টি, কোথাও ৭টি এমন ভোট পড়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেলা আরও বাড়লে হয়ত ভোটারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন।