এখলাস উদ্দীনের নির্বাচন বর্জন

ekhlasuddinঢাকা-১৫ আসনের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এখলাস উদ্দীন মোল্লা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আজ দুপুর বারটার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এসে নির্বাচন বর্জনের মৌখিক ঘোষণা দেন। পরে তিনি কমিশন বরাবর এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

তার অভিযোগ ওই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদার ভোট কারচুপি করেছে। এছাড়া কামাল মজুমদারের সমর্থকরা তার সমর্থকদের বিভন্ন ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছিলাম সুষ্ঠু ভোট হবে কিন্তু তা হচ্ছেনা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্তিতিতে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার পুলিং এজেন্টদের বের করে দিলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ২৫টিরও অধিক কেন্দ্র থেকে আমার কর্মী সমর্থকদের বের করে দেওয়া হয়েছে।

কামাল মজুমদার তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোতায়েন করে ভোট কেন্দ্রগুলো দখল করেছে এমন অভিযোগ তুলে এখলাস উদ্দিন মোল্লা বলেন, প্রশাসনের সহায়তায় তারা ইব্রাহিমপুর, বাইশটেক, ব্রাইট ডাউন, মনিপুর-২ ও ৩ নং ব্রাঞ্চসহ ২৫ এর অধিক কেন্দ্রে এ ধরনের জগন্য কাজ করেছে। তারা সন্ত্রাস বাহিনী এনে কেন্দ্র কেন্দ্র মহড়া দিচ্ছে। ভোটার নয় এমন অনেককে এনে তিনি ভোট আদায় করছেন। অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরব।

সরেজমিনে মিরপুর ৯৭ নং কেন্দ্র আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে, ইব্রাহিমপুর ও বাইশটেকে দেখা গেছে ভোটের লাইনে কয়েকজন তরুণ ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। কথা হয় রানা ও রাজের সাথে। উভয়ই পেরামাউন্ট ইন্টারন্যশনাল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। তাদের বয়স ১৭ বছর বলে জানান তারা।

তোমার ভোটার আইডি কার্ড কোথায় জানতে চাইলে সে চুপ হয়ে যায়। পাশের একজন ইশারা করলে এ তরুন জানায় ভোটার নং খুঁজতে বড় ভাই কার্ড নিয়ে গেছে। বড় বাইয়ের নাম জানেনা বলে জানায় সে।

রোববার সকাল থেকে ঢাকা ১৫ আসনের মনিপুর ২ ও ৩ নং ব্রাঞ্চ  ইব্রাহিমপুর, বাইশটেক ব্রাইট ডাউন কেন্দ্রগোলো ঘুরে দেখা গেছে ভোটারের উপস্থিতি খুবই কম। তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ছিল বেশ তৎপর।