শুক্রবারে ব্যাংক খোলা থাকলেও লেনদেন হয়েছে কম

bankনির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শুক্রবার দেশের ৫৯ টি জেলায় ব্যাংক খোলা থাকলেও ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হয়েছে অনেক কম। ছোট ছোট লেনদেনের মধ্য দিয়েই দিন পার হয়েছে।তবে শনিবার লেনদেন কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ, কর্মকর্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অর্থ উত্তোলনের সুবিধার্থে ৫টি জেলা ( জয়পুরহাট, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও চাদঁপুর) ব্যতীত ৫৯টি জেলায় সকল তফসিলি ব্যাংক শাখার ক্যাশ ও ক্লিয়ারিং কার্যর্কম ৩ ও ৪ জানুয়ারি ৯ (শুক্র ও শনিবার) খোলা রাখার অনুরোধ করে নির্বাচন কমিশন।তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়া ৫৯ টি জেলার সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা ওই দুই দিন খোলা রাখার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ভোট গ্রহণের দিন ৫ জানুয়ারি রোববার এ ৫৯ টি জেলার ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকবে এবং শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকা ৫টি জেলার ব্যাংক।

শুক্রবার মতিঝিলের ব্যাংকপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, সব ব্যাংকে কর্মকর্তাদের উপিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল । গ্রাহক উপস্থিতি কম হওয়ায় তারা অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। বড় কোনো লেনদেন হয়নি বলে জানিয়েছেন এসব ব্যাংকে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া বলেন,  আজ বন্ধের দিন থাকা সত্বেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে। গ্রাহক উপস্থিতি অনেক কম। শনিবারও ব্যাংক খোলা থাকায় শিল্পাঞ্চল এলাকায় লেনদেন বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে. শামসি তাবরিজ বলেন, ব্যাংকের শাখা খোলা থাকলেও বড় বড় শহরের বাইরে লেনদেন প্রায় হচ্ছে না বললেই চলে। তবে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ভালো লেনদেন হয়েছে। গ্রাহকরা টাকা জমার চেয়ে উত্তোলন বেশি করছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের ডাকা টানা অবরোধের মধ্যেও মানুষ ব্যাংক লেনদেন করেছে। ফলে শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা থাকলেও তার ফল পাওয়া যাচ্ছে না।