দাম্পত্য মূলত অবিশ্বাস আবাদের ক্ষেত্র !

routinely spyবৈবাহিক সম্পর্ককে অধিকাংশই নির্ভরতা চর্চার প্লাটফর্ম হিসেবে দেখে থাকেন, কিন্তু দাম্পত্য-সম্পর্ক মূলত সন্দেহ-অবিশ্বাস আবাদের অবাধ-ক্ষেত্র ! যেখানে মহিলাদের মধ্যে শতকরা ৩৬ জন এবং পুরুষদের মধ্যে শতকরা ২৪ জন মনে করেন, তারা বিশ্বাস করে প্রতারিত হচ্ছেন। এমনকি প্রত্যারিত হওয়ার ব্যাপারটা হাতেনাতে প্রমাণ করার ব্যাপারেও তারা নিশ্চিত থাকেন। যদিও প্রতি দশজনে ছয়জন বিবাহিত নারী পার্টনারের অনৈতিক সম্পর্ক সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও শেষমেশ তাকে ত্যাগ করতে পারেন না। নতুন এক গবেষণার বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল এসব কথা জানিয়েছে।

স্লেটার অ্যান্ড গর্ডন নামের আইনি সহায়তা দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক এক জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রতি দশজনে ‘সাবধানের মার নাই মন্ত্রে বিশ্বাসী একজন নারী রুটিনমাফিক স্বামীর ব্যাপারে গোয়েন্দাগিরি করতেও ছাড়েন না ! প্রতি ছয় জনে একজন স্বামীর ইন্টারনেট হিস্টরি ঘেঁটেঘুটে দেখেন!

এই জরিপের সবচেয়ে অভাবিত তথ্য হচ্ছে, বছরের পর বছর একই ছাদের নিচে বাস করা সত্ত্বেও মহিলাদের মধ্যে শতকরা ৩৬ জন এবং পুরুষদের মধ্যে শতকরা ২৪ জন মনে করেন, তাদের পার্টনার বিশ্বাসঘাতক। তা সত্ত্বেও চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে, প্রতি দশজনে ছয়জন বিবাহিত নারী পার্টনারের অনৈতিক সম্পর্ক সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও শেষমেশ তাকে ত্যাগ করতে পারেন না।

এই জরিপ থেকে আরও জানা গেছে, স্বামীর আচরণে একটু এদিক-সেদিক হলেই তার উপর অধিকাংশ মহিলা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসএর মতো কড়া নজরদারি শুরু করেন। এক্ষেত্রে স্ত্রী দুরুত্ব বজায় রেখে চললে বা সঙ্গমের ব্যাপারে অনীহা দেখালেই কেবল পুরুষরা সন্দেহ করতে শুরু করেন।

জরিপের সময় ৩২ শতাংশ নারী-পুরুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কে বিশ্বাসহীনতা তাদের আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং ৭০ শতাংশ জানিয়েছেন, অবিশ্বাস তাদেরকে পার্টনারের সততা সম্পর্কে ভয়ার্ত করে তোলে।

সমীক্ষায় শতকরা ৬০ জন এও জানিয়ছেন, অবিশ্বাস শেষমেশ তাদেরকে হতোদ্যম করে ফেলে এবং তাদের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।