আজ থেকে মার্জিন ঋণের নতুন হার

Share Taka
Share Taka

Share_Taka_2পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজের দেওয়া ঋণের (মার্জিন ঋণ) হার কমছে। ঋণের অনুপাত ১:১.৫ থেকে ১:১ হচ্ছে। এতদিন বিনিয়োগকারীর ১০০ টাকা মূলধনের বিপরীতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজ ১৫০ টাকা ঋণ দিতে পারতো। নতুন হার কার্যকর হওয়ায় ১০০ টাকা মূলধন বা ইক্যুইটির বিপরীতে সমপরিমাণ তথা ১০০ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে।

ঋণের নতুন হার আজ থেকে কার্যকর। এটি চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আগামি ১ জুলাই থেকে ঋণের হার হবে ১:০.৫। অর্থাৎ  বিনিয়োগকারীর ১০০ টাকা মূলধন বা ইক্যুইটির বিপরীতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজ ৫০ টাকা ঋণ দিতে পারবে।

পুঁজিবাজারে ঋণ নির্ভরতা কমাতে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মার্জিন ঋণের নতুন সীমা ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইইস)। এতে পর্যায়ক্রমে ঋণ অনুপাত ১:২ থেকে ১:০.৫ এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়। উল্লেখ, তখন পর্যন্ত মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজগুলো গ্রাহকের ১০০ টাকা মূলধনের বিপরীতে ২০০ টাকা ঋণ দিতে পারতো।

জানা গেছে,ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-২ এর জন্য দাতা সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঋণ সহায়তার জন্য ২৫টি শর্ত দেয়। এর মধ্যে শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের বর্তমান হার কমিয়ে এক অনুপাত শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা ছিল অন্যতম। দাতা সংস্থার বেঁধে দেয়া শর্ত পূরণে ধাপে ধাপে মার্জিন ঋণ সুবিধা কমিয়ে আনার সময়সীমা বেঁধে দেয় বিএসইসি।
উল্লেখ্য,২০১০ সালে শেয়ারবাজার অতি মূল্যায়িত হওয়ার পেছনে নানা উপাদানের মধ্যে মার্জিন ঋণকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মনে করা হয়। আবার বাজারের বর্তমান গতিহীনতারও অন্যতম কারণ এটি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারহাউজের প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার মার্জিন ঋণ রয়েছে, যার বড় অংশই আছে ঝুঁকিতে। ২০১০ ধসের পর শেয়ারের দাম অনেক কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের ইক্যুইটি ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। বিনিয়োকারীরা ঋণ শোধ করছেন না। আবার শেয়ারের দাম অনেক কম থাকায় তা বিক্রি করেও টাকা ঋণ সমন্বয় করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানগুলো।