শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২০
Home জাতীয় রাজনীতি বিদেশি পর্যবেক্ষক আসলে সেটা সারপ্রাইজ: নানক

বিদেশি পর্যবেক্ষক আসলে সেটা সারপ্রাইজ: নানক

বিদেশি পর্যবেক্ষক আসলে সেটা সারপ্রাইজ: নানক

nanokআওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিদেশি পর্যবেক্ষক না আসলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না এটা আমাদের দেশে একটি ব্যাড প্যাকটিস শুরু হয়েছে। এই ব্যাড প্যাকটিস থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক আসলে সেটা সারপ্রাইজ। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দেশের মানুষ। যেমনি নিয়েছিলো গত ৫ থেকে ৬ হাজার নির্বাচনে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশে বিদ্যমান সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলের অনির্দিষ্টকালের জন্য ডাকা অবরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী অনির্দিষ্টকালের জন্য তথাকথিত অবরোধের কর্মসূচি অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিৎ। অন্যথায় গণবিরোধী এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে জনগণ আরও কঠোর প্রতিরোধের পথ বেছে নেবে। ৫ বছরের আন্দোলন করে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে পারেননি, আগামি ৫ দিনেও পারবেন না।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে জনগণের দৃষ্টিকে ঘুরিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়। কোনো শক্তি নেই বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সূচিত এই ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তাই আমরা বলতে চাই জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। বুলেট নয়, ব্যালটই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র নিয়ামক।

তিনি বলেন, বিরোধী দলের গোপন এজেন্ডা হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদের দায়ে অভিযুক্ত ও খালেদা জিয়া পরিবারের প্রায় ডজনখানেক সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত দুর্নীতির মামলা থেকে নিজেদেও রক্ষা করা।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, বারবার সংলাপের মাধ্যমে দেশের চলমান সঙ্কট নিরসনের আহ্বান জানানো হলেও বেগম জিয়া ও তার নেতৃত্বাধীন জোট সমঝোতার আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সংঘাত ও সহিংস অপরাজনীতির পথ বেছে নিয়েছেন। জনগণকে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে নিপতিত করেছেন। যা দেশ, জাতি, জনগণ, গণতন্ত্র কোন কিছুর জন্যই শুভ ফল বয়ে আনবে না।

সুপ্রীম কোর্টের ঘটনায় বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার কাছে জনগণের পক্ষ হয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, লে. জে (অব.) মাহাবুবুর রহমান, ড. এম. ওসমান ফারুক ও আলতাফ হোসেন চৌধুরীরা উপস্থিত থেকে যে সহিংস কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন তা কি দেশবাসী দেখেনি? সর্বোচ্চ আদালতের সম্মান, মর্যাদা, ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মহামান্য আদালত ও প্রধান বিচারপতির সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি; প্রয়োজনমতো আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মনি, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু প্রমুখ।

এমআইকে/ এআর