রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ছাড়া পাচ্ছে বার্মার রাজবন্দীরা

burma

burmaরাষ্ট্রপতির ক্ষমা ঘোষণার পর  মিয়ানমারের(বার্মায়) রাজবন্দীদের  মুক্ত করে দিচ্ছে দেশটির সরকার। তবে কতজন রাজবন্দিকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু জানা যায় নি। মঙ্গলবার পাঁচজন রাজবন্দি মুক্তি পেয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সব রাজবন্দিকে ছেড়ে হবে বলে আশা করছেন দেশটির পলিটিক্যাল প্রাইজনার স্ক্রুটিনিসিং কমিটি। খবর বিবিসি, দ্যা হিন্দু,এবং এবিসি নিউজের ।

তবে অন্তত ৪০ জন রাজবন্দীকে মুক্ত করে দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করছেন ওই কমিটির সদস্য বো কাই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে মায়ানমার নামে পরিচিত বার্মাতে গত ২০১০ সালে দেশটিতে গণতন্ত্র শুরু হওয়ার পর থেকে শতশত রাজনৈতিক নেতাদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট থিয়েন সিয়েন ২০১৩ সালের মধ্যে সব রাজবন্দীদের মুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। সোমবার টেলিভিশনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সব রাজবন্দিদের সাজা মওকুফ করে দেন থিয়েন। তিনি বলেন, তাদের নিয়ে আদালতে চলমান সমস্ত মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধ সব অভিযোগ শিগগরই তুলে নেওয়া হবে বলেও  জানান তিনি।

কাই জানান,  মায়ানমারে সব রাজবন্দীদের ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টকে অনেক ধন্যবাদ।

মানবাধিকার সংস্থা জানায়,  বার্মার সাবেক সামরিক সরকার অবৈধভাবে ২ হাজার  বিরোধীদলীয় নেতানেতৃ, ভিন্ন মতাবলম্বীসহ সাংবাদিককে কারাবন্দি করে। ২০০৭ সালে তত্কালীন সামরিক শাসক কতৃপক্ষের বিরূদ্ধে প্রতিবাদী আন্দোলনে রাস্তায় নামার জন্য তাদের কারাবন্দী করা হয়।

২০১০ সালের নভেম্বরে বার্মার প্রেসিডেন্ট থিয়েন সিয়েন নির্বাচনী কাঠামোর সংশোধন এনে দেশটিতে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করে বেসামরিক সরকার নিয়ে আসেন। এসময় অনেক রাজবন্দীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া গণমাধ্যেমের প্রতিবন্ধকতাও শিথিল করা হয়।

এসআর/